তারাগঞ্জে উপজেলায় বালু ও মাটি কাটার ঘটনা বেড়েই চলছে। দুই একটি ভ্রাম্যমান আদালত করা হলেও কয়েকদিন ধরে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ফসলি জমির মাটিকাটা চললেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। ফসলি জমির মাটি কাটার ফলে একদিকে জমির উর্বরতা হারাচ্ছে অন্যদিকে রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সরজমিনে গতকাল আলমপুর ইউনিয়নের বাঙালিপুর গ্রাম থেকে নগরী পাড়া যাওয়ার রাস্তায় এবং বানিয়ে পড়ায় দেখা গেছে সেখানে বালু এবং বালু। রাস্তার শ্রেণী পর্যন্ত পরিবর্তন হয়েছে। উক্ত গ্রামের কৃষক নাজমুল ইসলাম জানান এই রাস্তাটি সরকারি বরাদ্দ দিয়ে আমরা রাস্তাটি তৈরি করে নিয়েছি কিন্তু ইতিমধ্যে বালু ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন টলি দিয়ে মাঠে নিয়ে যাওয়ার ফলে রাস্তাটির মৃত্যু প্রায়। বানিয়াপাড়া গ্রামের রাজু, শাহীন,সবুজ, সাইদুল জানান প্রতিদিন প্রায় ১৫ টি টলি এই রাস্তা দুটি দিয়ে মাটি নিয়ে যাওয়ার কারণে রাস্তা দুইটা গর্ত হয়েছে। চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে উঠেছে।ইউপি সদস্য শিপুল ইসলাম জানান আমরা বাধা দিয়েছিলাম কিন্তু তারা আমাদের বাধা মানে নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আবুল কালাম আজাদের জমি মাটি কাটার অনুমোদন নিয়ে তিনি বিধি বহির্ভূতভাবে মাটি বিক্রি করছে রাশেদের ইটভাটায়।উক্ত ইটভাটায় মাটি বিক্রি করার কারণে প্রতিদিন উক্ত রাস্তা দিয়ে টলি যাওয়ার কারণে রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় ভেঙ্গে গেছে এমনকি পানি নিষ্কাশনের জন্য ইউ ড্রেন দেয়া হলেও তা ভেঙ্গে গেছে । রাশেদের মুঠোফোনে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন আমি এখন ব্যস্ত আছি পরে আপনার সঙ্গে কথা হবে।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনাব্বর হোসেনকে অবগত করলে তিনি বলেন আমি অনুমোদন দিয়েছিকিনা তা আমার জানা নেই। যদি অনুমতি দেই তাহলে আপনি কাগজ দেখেন। তিনি আরো বলেন আপনি পত্রিকায় বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করেন।। ।
।







