, ,

কচুয়া ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে ২০২৫ সালে ২৫ মামলা, শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তিতে আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার

নিউজটি শেয়ার করুন

‎গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৫ নম্বর কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত ২০২৫ সালে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চলতি বছরে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে মোট ২৫টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে ৮টি মামলা গ্রাম আদালতের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হয়েছে, ১০টি মামলা নিষ্পত্তির পর আইনগত কারণে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে ৭টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
‎ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলার মধ্যে বাল্যবিবাহ, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ, জমি-জমা সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, মারামারি ও সামাজিক বিরোধের ঘটনাই বেশি ছিল। এসব বিরোধ আদালতে না গিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের জন্য গ্রাম আদালত সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।
‎
‎এ বিষয়ে কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন,
‎২০২৫ সালে গ্রাম আদালতে আগত প্রতিটি মামলা আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেছি। শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক জটিল সমস্যারও সমাধান গ্রাম আদালতেই সম্ভব হয়েছে, ফলে সাধারণ মানুষ কম সময়ে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন। তবে যেসব মামলা অত্যন্ত জটিল ও আইনগতভাবে কঠিন, সেগুলো উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং সেগুলো সেখানে চলমান রয়েছে।
‎তিনি আরও বলেন,
‎বর্তমানে যেসব মামলা বিচারাধীন রয়েছে, সেগুলোও চলতি বছরের মধ্যেই নিষ্পত্তির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। গ্রাম আদালতের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
‎
‎মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর বাদী ও বিবাদী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন,
‎ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে। চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী খন্দকারের আন্তরিকতা, ধৈর্য ও ন্যায়পরায়ণ সিদ্ধান্তের কারণে আমরা উভয় পক্ষই সন্তুষ্ট। আদালতে না গিয়ে ইউনিয়ন পরিষদেই বিষয়টির সমাধান হওয়ায় আমাদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয়েছে। গ্রাম আদালতের এই সুব্যবস্থার জন্য আমরা চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।
‎স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী খন্দকারের দক্ষ নেতৃত্ব ও সক্রিয় তদারকির কারণে কচুয়া ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। এতে করে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত মীমাংসা হওয়ায় সামাজিক শান্তি বজায় থাকছে এবং আদালতকেন্দ্রিক দীর্ঘসূত্রতা থেকে মানুষ রেহাই পাচ্ছে।