, ,

আনুমানিক ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা অবৈধ বাজার মূল্যের ৩৪,০০০ (চৌত্রিশ হাজার) পিস ইয়াবাসহ মা-ছেলে গ্রেফতার

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব হাসান মারুফ এর নির্দেশনায়, ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক জনাব মো. আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং পরিদর্শক জনাব মোঃ ফজলুল হক খান এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩/১০/২০২৬ তারিখ বিভাগীয় উপপরিদর্শক কে, এম, এ, হানিফ, সহকারী উপপরিদর্শক মোঃ নুরুল ইসলাম, সিপাহী সর্ব মোঃ আল-আমিন, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ রায়হান হোসেন, আফিয়া আক্তার এবং অত্র অধিদপ্তরে সাময়িকভাবে নিয়োজিত ডিএমপির ০২ (দুই) জন পুলিশ ফোর্স নিয়ে একটি রেইডিং পার্টি গঠন করে তাদের সমন্বয়ে ডিএমপি ভাটারা থানাধীন ছোলমাইদ ঢালিবাড়ী কাঁচা বাজার সংলগ্ন জনাব সজল ঢালীর মালিকানাধীন বাসা নং-০৬/১৬, ৫ম তলা বিল্ডিংয়ের নিচ তলার উত্তর পার্শ্বের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া আসামী মালা বেগম এর ভাড়াকৃত নিজ দখলীয় দক্ষিণ দুয়ারী দুই কক্ষ বিশিষ্ট বসতঘর ২১:০০ ঘটিকার সময় ঘেরাও করা হয়।

অতঃপর ২ জন নিরপেক্ষ সাক্ষী সাথে নিয়ে উক্ত দুই কক্ষ বিশিষ্ট ফ্ল্যাটে বিধি মোতাবেক প্রবেশ করে ফ্ল্যাটের ভিতর অবস্থানরত একজন মহিলা ও একজন পুরুষকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের একজনের নাম মালা বেগম (৬২) এবং অপরজনের নাম মামুন চোকদার (৩৬) বলে জানায়। নিরপেক্ষ দুইজন সাক্ষীর মোকাবেলায় ১ নং আসামী মালা বেগম (৬২) ও ২ নং আসামী মামুন চোকদার (৩৬) এর দুই কক্ষ বিশিষ্ট ফ্ল্যাট বিধি মোতাবেক তল্লাশি করে পশ্চিম পার্শ্বের কক্ষের মধ্যে রক্ষিত চাউলের ড্রামের মধ্যে ১। একটি কফি কালার কাপড়ের সাইড ব্যাগের ভিতর কাগজ ও স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো ১৭(সতেরো) টি প্যাকেটের ভিতর বে-আইনী মেথামফেটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট সর্বমোট ৩৪,০০০ (চৌত্রিশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, যার ওজন ৩.৪০ (তিন দশমিক চল্লিশ) কেজি, ২১:২০ ঘটিকার সময় উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। যোগসাজশে ইয়াবা ব্যবসার কারণে ঘটনাস্থলে ১ নং আসামী মালা বেগম (৬২) ও ২ নং আসামী মামুন চোকদার (৩৬) কে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। ৩ নং আসামী সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাকে গ্রেফতার করা যায়নি। উল্লেখ যে ১ ও ২নং আসামীদ্বয় সর্ম্পকে মা-ছেলে।

গ্রেফতারকৃত ১ নং আসামী মালা বেগম (৬২), ২ নং আসামী মামুন চোকদার (৩৬) ও পলাতক ৩ নং আসামী সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) পারস্পরিক যোগসাজশে তাদের নিজ দখলে অবৈধ মাদকদ্রব্য অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট সংরক্ষণ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ সনের ৯(১) (খ) ধারা লঙ্ঘন করে একই আইনের ৩৬ (১) সারনির ক্রমিক ১০ (গ)/৪১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাহাদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ভাটারা থানাধীন জোয়ার সাহারা এলাকাস্থ সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের প্রকৃত মালিক। পলাতক আসামী সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) কক্সবাজার হতে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে মালা বেগম (৬২) এর বাসায় মজুদ করে থাকে এবং গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনর্বোড, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে।

উদ্ধারকৃত আলামতের অবৈধ বাজার মূল্য আনুমানিক ১,০২,০০০০০/- (এক কোটি দুই লক্ষ) টাকা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।