সমাজের নিরীহ মানুষদের টাকার ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার লোভ দেখিয়ে মানুষের সাথে গড়ে তুলেন সুসম্পর্ক শাহ মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম উরফে পিংকু নামের এই ব্যক্তি তিনি তার নমনীয় ব্যবহারের মাধ্যমে হয়ে উঠেন বেকার অসহায় পরিবারের সদস্যদের কাছের মানুষ আসলে কি সত্যিকার অর্থে তিনি একজন ভালো মানুষ রুপি লম্পট কুলাঙ্গার ধীরে ধীরে সেই কুলাঙ্গার অসহায় লোকের সরলতার সুযোগ নিয়ে গড়ে তুলে অসামাজিক পরকীয়া এবং সেই সংসারে নেমে আসে কলঙ্কের কালিমা এর থেকে সাবধান এই মানুষরূপী নরপশু থেকে কোন অসহায় নারীর রেহাই নেই ধীরে ধীরে সে তার ফায়দা হাসিল করে কেটে পড়ে সাম্প্রতিক কিছু কিছু জায়গাতে সেই কুলাঙ্গার মহিলাদের সাথে অসামাজিক কাজ করার সময় এলাকাবাসীর নজরে পড়েকিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস কিছু অসাধু ব্যক্তির জন্য কুলাঙ্গার উরফে পিংকু মুক্তি পেয়ে যায় এর শেষ কোথায় জনগণ জানতে চায় এর হতে সাবধান অনেককে ভয় দেখিয়ে সে তার ফায়দা হাসিল করে লোকেরা ভয়ে কিছু বলতে পারেনা অঝোরে অবহেলায় কেটে যায় অসহায়দের জীবন এই কুলাঙ্গারের পরিবার সম্পর্কে খোঁজখবর করে জানা যায় তার বাবা তারই মত সে হচ্ছে তার বাবার ফসল জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন এ কুলাঙ্গার থেকে মুক্তির উপায় কি এবং এই কুলাঙ্গারের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি







