অজ্ঞান পার্টির হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না খুলনা অঞ্চলের সাধারণ জনগণ।
খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় প্রতিনিয়ত কোথাও না কোথাও স্বীকার হচ্ছে অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়া গ্রাম বাংলার সাদা মনের মানুষেরা। গতকাল এমন ঘটনা ঘটেছে জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালি ইউনিয়ানে। পাশাপাশি দুইটি পরিবারের ৪০ জন সদস্য অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশীরা। তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যাকে বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের পার্শ্ববর্তী উপজেলা ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা। অচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে জানতে পারা যায় কে বা কার রান্নাঘরে হলুদের গুঁড়া বা লবণের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে রাখে, সেই লবন হলুদ দিয়ে খাবার রান্না করে দুটি পরিবারের লোক খাওয়ার পরে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। প্রতিবেশী অপূর্ব সরকার জানাই চেতনা নাশক ওষুধ মিশানো খাবার খেয়ে বাড়ির পোষা দুটি বিড়াল মারা যায়। ঘটনাটি সকালে ঘটেছে তার কারণে সকলকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা সম্ভব হয়েছে। তবে ঘটনাটি রাতে ঘটলে অনেকেরই জীবন হারাতে হতো বলে এলাকাবাসী মনে করছে। প্রতিবেশী অপূর্ব বলে আমরা গ্রামবাসী এত ছলচাতুরি বুঝিনা যার কারণে কে কখন এসে রান্না ঘরের মধ্যে খাবারের সঙ্গে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে চলে যায় তা আমরা অবগত নই। ঘটনা জানার পরে বটিয়াঘাটা থানার পুলিশ উপস্থিত হয়ে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ বলেছে আমরা চেষ্টা করছি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার। পুলিশ আরো বলেছে তার আগে আপনাদের সকলকে সচেতন হতে হবে, যেন আগামীতে এমন ঘটনা না ঘটে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভুক্তভোগী ৪০ জন খুলনা মেডিকেল, ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।।







