, ,

লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ বদলগাছীবাসী, কতৃপক্ষ বলছে এটি জাতীয় সমস্যা

নিউজটি শেয়ার করুন

নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায় ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের কারণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, কাটাতে হচ্ছে নির্ঘুম রাত্রি।

জানা যায়, দিনে-রাতে মিলে প্রায় ৬-৭ বার লোডশেডিং হয়। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে লোডশেডিং বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ ২ ঘন্টা পরপর কারেন্ট চলে যায়, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং জনসাধারণের জীবন যাপনে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলছে।

বদলগাছীর স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল জানান, “সারাদিন কাজকর্ম শেষে রাতে ঘুমানোর সময় বা মাঝরাতে কারেন্ট চলে যায়, খুব বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।”

এইচএসসি পরীক্ষার্থী মুমিনুল হক বলেন, “আমাদের এইচএসসি পরীক্ষা চলছে।ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের জন‍্য ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না এবং ঘুমেও ব‍্যাঘাত ঘটছে।বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর অনেক বেশিই কারেন্ট চলে যাচ্ছে।”

তবে জাতীয় তথ্য অনুযায়ী,বর্তমানে তীব্র প্রখর দাবদাহ ও গরমের কারণে বিদ্যুতের ব্যবহার ও চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি বা গ্যাসের ঘাটতি এবং সঞ্চালন লাইনের জটিলতার কারণে চাহিদানুযায়ী সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
​গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত ফ্যান, এসি ও সেচপাম্প একযোগে চলার ফলে জাতীয় গ্রিডে তৈরি হওয়া এই বিশাল ঘাটতি পূরণ করতেই কর্তৃপক্ষ এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ বা লোডশেডিং করতে বাধ্য হচ্ছে।

বদলগাছীর পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জানান, ” লোডশেডিং তো এখন বলতে গেলে একটি জাতীয় সমস্যা বলা যায়, সব জায়গাতে প্রায় একই অবস্থা। তবে বর্তমানে ঝড়-বৃষ্টির কারণে কোন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগের সমস্যা হলে, আমাদের তথ্য দিলে আমরা সাথেসাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। “

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) ইসরাত জাহান ছনি বলেন, “ জনদুর্ভোগের বিষয়ে অবহিত রয়েছি।পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে যতোটুকু বিদ্যুৎ বরাদ্দ দেওয়া হয় ততটুকুই তারা সাপ্লাই করে।উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে হয়েছে, তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা নিবে বলে আশা করছি।”