মিজানুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি :

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ ১,২ ও ৩ সংসদীয় আসনের ভোটারগণ সকাল থেকেই নিজ নিজ কেন্দ্রে এসে তাদের ভোট দান করতে থাকেন। তিনটি আসনেই ভোটার উপস্থিতি আশানুরূপ না হলেও জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মোটামুটি সব কয়টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবেই ভোটের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান বেসরকারিভাবে ফল ঘোষণা করেন।
মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ -১ আসনে বিএনপি প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম ৬৯ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩২৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ – ২ আসনে বিএনপির কে এম বাবর ধানের শীষ প্রতীকে ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএইচ খান মঞ্জু হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ – ৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি প্রার্থী এস এম জিলানী ৬০ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৩৯ ভোট। গোপালগঞ্জ – ২ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী জনাব কে এম বাবর তার নির্বাচিত হওয়ার খবর শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে সর্বপ্রথম আল্লাহ পাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলেন – তার এই জয় জেলার তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রম ও গোপালগঞ্জ সদর আসনের সাধারণ ভোটারদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসার ফসল। তিনি আরো বলেন – বিএনপির চেয়ারম্যান ও আগামীর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে গোপালগঞ্জ সদর কে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি মডেল শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।







