মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের মোঃ হেলাল উদ্দিন ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীর পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তিনি ঢাকা এবং নিজ এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানা ও আদালত একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। হেলাল উদ্দিন নিজেকে সেনা সদস্য, র্যাব ও ডিবি পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোককে হুমকি দেন। তিনি সচিবালয় থেকে একটি গেটপাস তৈরি করে সারাদেশে সচিবালয়ের ভয় দেখিয়ে ভুয়া সচিব দিয়ে ফোন করে তাদের বিভিন্ন বাহিনীকে বিভিন্ন বিপদ থেকে রক্ষা করে থাকেন। তিনি গাড়ীতে সচিবালয়ের নেইম-প্লেট ব্যবহার করে সকল অপরাধের কার্যক্রম পরিচালনা করিতেছে। মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভয়াং গ্রামের মোসা. নুরুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে হেলালের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার জিডি নং ৪৫। মামলা সূত্রে জানা যায়, নুরুন্নাহার বেগমের স্বামী মো. আবদুল রহিম হাওলাদার বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসে ঢাকা সেনা নিবাসে কর্মরত আছেন। তার ওয়ারিশ সূত্রে সম্পত্তি যার দাগ নং ১১৩০, জমির পরিমাণ ১৩০ শতাংশ। ভূমিদস্যু হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু সেই জমি দখল করতে আসে। তাদেরকে বাঁধা দিলে নুরুন্নাহার বেগমের স্বামী, শ্বাশুড়ি ও দেবর ফজলুর করিমকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, জমির কাছে আসলে তোদেরকে জানে মেরে ফেলবো। তোদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছি আরও মামলা দিব। এ ব্যাপারে নুরুন্নাহার বেগম বলেন, ভূমিদস্যু হেলাল উদ্দিন ঢাকাতে আমাদের বাসায় ভুয়া ইউনিফর্ম পড়া সেনা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে আমার স্বামী ও দেবরকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আমরা কৌশলে পালিয়ে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ঢাকা উত্তরা থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করি। যার নং ১১০৪। এরআগে হেলালের নেতৃত্বে মিন্টু বাহিনী দিয়ে আমার দেবর ফজলুর করিমকে হত্যার চেষ্টা করে। পরে আমার দেবর তাদের বিরুদ্ধে একটি জিডি করেন। এ অবস্থা চলতে থাকে। বর্তমানে হেলাল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী জোরজবরদস্তি করে আমাদের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের খুন করার হুমকি দিতেছে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। আমরা প্রশাসনের কাছে হেলাল উদ্দিনের বিচার চাই।


