সাহিত্য-সংস্কৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধনে ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ (SASP)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির অভিষেক, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা সুপার হিরো ডি. এ. তায়েব। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কবি, সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবং দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক অশোক ধর।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আলম আরা মিনু
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য ও জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লিয়াকত আলী; বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ রনি; এবং চিত্রশিল্পী, কবি, গীতিকার ও সুরকার এস. এম. মিজানুর রহমান।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাছরাঙা টেলিভিশনের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জ্যোতির্ময় মণ্ডল; জাগ্রত ব্যবসায়ী ও জনতা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল মাহবুব; সুপারস্টার ডি. এ. তায়েব ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এ. কে. এ. সৈকত; দিয়ামনি ই-কমিউনিকেশনের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান অপূর্ব এবং গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ম. রহমান মিলকী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি গাজী মো. আব্দুল আলীম। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও আয়োজক ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. আজগর হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু ওবাইদ বাদল।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি কবিতা পাঠ, সংগীত পরিবেশনা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
বক্তারা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাহিত্যিক, কবি, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদার করা সময়ের দাবি। সাহিত্য ও সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে বিভেদ দূর করে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তাঁরা আরও বলেন, ভাষা, সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশ-বিদেশের সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সম্পৃক্ত করে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।







