, ,

মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা যুগাবতার পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর।

নিউজটি শেয়ার করুন

মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা যুগাবতার শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের লীলা নিকেতন ওড়াকান্দি ধামে ফরিদপুর পূর্ণ ব্রহ্ম ঠাকুরের ২১৫ তম ২০২৬ ইংরেজী আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে মধু কৃষ্ণ ত্রোয়োদশী তিথিতে সপ্তাহ ব্যাপী মেলা স্নান এবং ভগবান শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের ও প্রভীপাদ শ্রী শ্রী পথিক চাঁদ ঠাকুরের অভিষেক উৎসব।

Sree Sree Harichard Thakur (শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর) ছিলেন মতুয়া ধর্ম আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলার নিম্নবর্ণ ও নিপীড়িত মানুষের জন্য এক মহান ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারক। তিনি ভক্তদের কাছে ভগবান হরির অবতার হিসেবেও পূজিত হন।
জন্ম ও পরিবার
জন্ম: ১১ মার্চ ১৮১২
জন্মস্থান: Orakandi (বর্তমান বাংলাদেশ)
পিতা: Yashomanta Thakur
মাতা: Annapurna Devi
তিনি নমশূদ্র (মতুয়া) সম্প্রদায়ে জন্মগ্রহণ করেন, যারা সেই সময়ে সমাজে অত্যন্ত অবহেলিত ছিল।
মতুয়া ধর্ম আন্দোলন
শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর মানুষের মধ্যে সমতা, ভক্তি এবং মানবতার শিক্ষা প্রচার করেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেন Matua Mahasangha।
তার মূল শিক্ষাগুলো ছিল:
সব মানুষ সমান
জাত-পাতের ভেদাভেদ ভুলে যেতে হবে
ভগবানকে স্মরণ করে সৎ জীবন যাপন
সত্য কথা বলা
পরিশ্রম করে জীবিকা অর্জন
ধর্মীয় উপদেশ (মতুয়া মত)
হরিচাঁদ ঠাকুরের উপদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নীতি:
সত্য বলা
পবিত্র জীবনযাপন
পরের উপকার করা
হরি নাম কীর্তন করা
সকল মানুষকে সম্মান করা
সামাজিক কাজ
তিনি শুধু ধর্ম প্রচার করেননি, সমাজের অবহেলিত মানুষদের শিক্ষা, অধিকার এবং আত্মসম্মান অর্জনের জন্যও আন্দোলন করেছিলেন। তাঁর শিক্ষায় হাজার হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে মতুয়া সম্প্রদায় গঠন করে।
মৃত্যু
মৃত্যু: ১৮৭৮ সাল
স্থান: Orakandi
বর্তমানে ওড়াকান্দিতে তাঁর স্মৃতিতে প্রতি বছর বড় উৎসব হয়।
উৎসব
সবচেয়ে বড় উৎসব হলো:
Orakandi Mela — এখানে লাখো ভক্ত সমবেত হয়ে হরি নাম কীর্তন করেন।