, ,

ঐতিহাসিক ২২তম আন্তর্জাতিক ঋষি কুম্ভমেলায় সন্ন্যাসী ও ভক্তদের ঢল।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক ঋষি কুম্ভ মেলায় বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান পর্বে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ এবং দর্শনার্থীরা।প্রতিদিন চলছে বিভিন্ন মাঙ্গলিক কর্মকাণ্ড ও নানাবিদ অনুষ্ঠান আয়োজন। গত ২৩ শে জানুয়ারি থেকে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়,যা চলবে পহেলা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বাংলাদেশ একমাত্র ঋষি কুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয় “চট্টগ্রামের বাঁশখালী ঋষিধামে” প্রতি তিন বছর পর পর এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এটি শুধু মেলা নয় দৃশ্য- অদৃশ্য মহাপুরুষ আর ভক্তবৃন্দের মিলন মেলা। সেইএক অন্যরকম আবেগ অনুভূতি, অন্যরকম পরিবেশ। ১১ দিন ব্যাপি এই মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ বিভিন্ন বয়সী ভক্তবৃন্দের সমাগম হয়। গত ২৩ শে জানুয়ারি থেকে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রতিদিন দিনরাত ২৪ ঘন্টা অহরহ প্রসাদ বিতরণ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।প্রতিদিন এক লক্ষেরও বেশি বক্তারা প্রসাদ আস্বাদন করে থাকে।উপস্থিত ভক্তবৃন্দরা প্রতিদিন অনুষ্ঠিত বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানে তাহারা অংশগ্রহণ করে নিজেদের পুণ্য অর্জন ও মানসিক প্রশান্তি অনুভব করে থাকে।

এই মহামাঙ্গিক কুম্ভমেলা প্রবর্তক হয় ১৯৫৭ সালে। তৎসময়ে আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ “শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী”মহারাজ তাঁহার গুরু জগদানন্দ পুরী মহারাজের আদেশক্রমে ভারতের কুম্ভ মেলা কমিটি হতে এই মেলার অনুমোদন ও অনুমতি সহ আশীর্বাদ নিয়ে,এই কুম্ভ মেলার শুভ আরম্ভ করেন।তার ধারাবাহিকতায় বিগত সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে এই মহাকুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এটি ২২ তম আন্তর্জাতিক ঋষি কুম্ভ মেলা।প্রতিবছর দেশের ভিতরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সাধু সন্ন্যাসীরা এই মহামাঙ্গলিক কুম্ভমেলায় অংশগ্রহণ করে থাকে। তবে আয়োজকদের মতে এবারে কুম্ভ মেলায় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের ঢল ছিল অনেক বেশি।